বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ মে ২০২৩, ০৮:৩৬ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

৬২ শতাংশ প্যাকেটজাত খাবারে লবণ মাত্রাতিরিক্ত

৬২ শতাংশ প্যাকেটজাত খাবারে লবণ মাত্রাতিরিক্ত

দেশের ৯৭ শতাংশ মানুষ দিনে অন্তত একবার প্রক্রিয়া করা প্যাকেটজাত খাবার গ্রহণ করে। এসব খাবারে রয়েছে মাত্রাতিরিক্ত লবণ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার খেয়ে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ১৯ লাখ মানুষ প্রাণ হারান। গতকাল রোববার দুপুরে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটকৃত খাবারে লবণ নিয়ন্ত্রণ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এবং রিসলভ টু সেইভ লাইভসের (আরটিএসএল) সহযোগিতায় আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের চিফ কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ফজিলা-তুন-নেসা মালিক। স্বাগত বক্তব্য দেন রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রেজিস্ট্রার (ক্লিনিক্যাল রিসার্চ) ডা. শেখ মো. মাহবুবুস সোবহান। তিনি বলেন, বাজারে ১ হাজার ৩৯৭ ধরনের প্রক্রিয়াজাত প্যাকেট খাবার পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১০৫ ধরনের খাবার পরীক্ষা করে দেখা যায় ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ খাবারে অতিরিক্ত এবং ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ খাবারে তুলনামূলক কম লবণ রয়েছে। বাকি ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ খাবারে সঠিক মাত্রায় লবণ রয়েছে। উদ্বেগের বিষয়, প্যাকেটের লেবেলে সঠিক তথ্য থাকে না। আবার অনেক কোম্পানি উপাদানের সঠিক মাত্রা লুকিয়ে বাজারজাত করেন।

সভায় বিএসটিআইর ডেপুটি ডিরেক্টর এনামুল হক বলেন, নগরায়নে প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা কষ্টকর। তাই সচেতন থাকতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক নাজমা শাহীন বলেন, প্রক্রিয়াজাত খাবারে ‘ফ্রন্ট অব প্যাক লেবেলিং’ অর্থাৎ সামনের দিকে পণ্যের খাদ্য উপাদানের তথ্য থাকতে হবে। জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, খাদ্যে লবণ ব্যবহারের পরিমাণ নিয়ে কোনো আইন নেই।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের ক্যান্ট্রি লিড-বাংলাদেশ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার (অব.) অধ্যাপক ডা. ইউনুছুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক খালেদা ইসলাম, বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথোরিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার (নিউট্রিশন) ফারিয়া শবনব ও ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার (এনসিডি) ডা. ফারজানা আক্তার ডরিন ও জাতীয় পুষ্টিসেবার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. ফাতেমা আক্তারসহ আরও অনেকে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিক্ষা প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে ইউএনডিপি

নতুন ভিডিওতে শাকিব, হলিউড সিনেমার দৃশ্য নাকি অন্যকিছু

বিধবাকে মৃত দেখিয়ে শাশুড়িকে ভাতার কার্ড করে দিলেন ইউপি সদস্য

স্বাগতিকদের হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

মাসুমা খান মজলিশ মারা গেছেন

হরিজন কলোনিতে উচ্ছেদ বন্ধের আহ্বান বাম জোটের 

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় আইন সংশোধন প্রয়োজন : ব্লাস্ট

উপজেলা প্রশাসনের গাফিলতিতে ফসলি জমি হচ্ছে পুকুর

গবেষণা / ফুটপাতের যে ৬ খাবারে উচ্চমাত্রার ডায়রিয়ার জীবাণু

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে বাজারে বেড়েছে মসলার দাম

১০

সারাবিশ্বে জাল পাতছেন এরদোয়ান

১১

‘ড্যানিস নিট ওয়্যারে শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করুন’

১২

দেশে যৌন নিপীড়নের শিকার ২৫ লাখ শিশুর রিপোর্ট যুক্তরাষ্ট্রের হাতে

১৩

ইউক্রেনে যুদ্ধের ময়দান থেকে পালাল যুক্তরাষ্ট্রের আব্রামস ট্যাংক

১৪

সড়ক দুর্ঘটনায় সৌদি আরবে প্রাণ গেল যুবকের

১৫

ভারত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক দেশ : মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী 

১৬

মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে দর্জি শ্রমিকদের ধর্মঘট

১৭

ভাইস প্রেসিডেন্টের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সবাই নিহত

১৮

নারায়ণগঞ্জে নদী থেকে ইট বাঁধা অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

১৯

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু 

২০
X