কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৩, ০৯:৫৯ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ওপরে নৌকা ভেতরে ভেতরে টেবিল ঘড়ি

ওপরে নৌকা ভেতরে ভেতরে টেবিল ঘড়ি
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই প্রতিটি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা খানের এজেন্টরা ব্যস্ত সময় কাটান। কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরে ছিল নৌকার এজেন্টের ভিড়। এরই মধ্যে অনেকে কৌশলে নৌকার ব্যাজ পরে ভোট চেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের টেবিল ঘড়ি মার্কায়। এদের মধ্যে কেউ ভোট চেয়েছেন গোপনে আবার কেউবা প্রকাশ্যে। সালনা নাসির উদ্দিন মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের মূল ফটকে দাঁড়িয়ে ছিলেন নারী কাউন্সিলরের একজন সমর্থক। বুকে তার নৌকার ব্যাজ। কথা হলে তিনি অকপটে স্বীকার করলেন, তার চাওয়া টেবিল ঘড়ি জিতুক। সে সময় তার পরিবারের দুজন সদস্য ভোট দিতে ভেতরে ঢোকেন। টেকনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্রও একই। সেখানে দেখা যায়, নৌকার ব্যাজ পরে এক নারী টেবিল ঘড়ির পক্ষে কাজ করছেন। এলাকাবাসী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভোট দিতে আসা কেন্দ্রের আশপাশে দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা বেশিরভাগই সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের কর্মী-সমর্থক। এদিকে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়নি। ফলে বিএনপির লোকজন নৌকার বিপক্ষে টেবিল ঘড়িতে ভোট দিচ্ছে। জাহাঙ্গীরের প্রার্থিতা বাতিল হলেও তার মাকে মেয়র পদে জয়ী করতে গোপনে কাজ করছেন তারা। কয়েকজন বিএনপি সমর্থকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টেবিল ঘড়ির পক্ষে ভোট দিতে তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। টঙ্গী এলাকায় প্রকাশ্যে দুই বিএনপি সমর্থকের কথোপকথনে টেবিল ঘড়িতে ভোট দিয়ে আসার বিষয়টি স্বীকার করতে দেখা গেছে। সকাল থেকে নগরীর ২২টি কেন্দ্রের পঞ্চাশের বেশি কক্ষ পরিদর্শনে দেখা গেছে্, সব কটিতেই রয়েছে নৌকার মেয়র প্রার্থীর এজেন্ট। সে তুলনায় টেবিল ঘড়ি, হাতি ও লাঙলের এজেন্টের দেখা মিলেছে তিনটিতে। তার মধ্য একটি কেন্দ্রে টেবিল ঘড়ির এজেন্ট এসেও ঘণ্টা খানেকের মধ্যে কেন্দ্র ত্যাগ করে। অন্য কেন্দ্রে একজন টেবিল ঘড়ির এজেন্টকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করে একজন এজেন্ট। গতকাল সকাল ৮টা থেকে ইভিএমে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা চলে। ৫৭টি ওয়ার্ডে ৪৮০টি ভোটকেন্দ্র ৩ হাজার ৪৯৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ চলে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচনের আগেই হাদি হত্যার বিচার চান শিক্ষার্থীরা

সাবেক ডিআইজি মিলন দম্পতির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিয়ের দাওয়াত নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, সাবেক ইউপি সদস্য নিহত

পার্লামেন্টে ইরানের সব কূটনীতিককে নিষিদ্ধ করল ইইউ

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পুলিশে দিল জনতা

ভারতকে নিরাপদ বলছে আইসিসি, মানছে না বাংলাদেশ

সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে অপরাধীদের তথ্য দেওয়ার আহ্বান সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের

পেছনের দরজা দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্র এখনো চলছে : ডা. রফিক

বিএনপির প্রার্থীকে শোকজ

রাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা

১০

এবার রাজপথে নামলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

১১

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের গ্রেপ্তারের খবর নিয়ে যা জানা গেল

১২

কত আসনে লড়বে এনসিপি, জানালেন আসিফ

১৩

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাপা-এনসিপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী

১৪

পুলিশ সদস্যকে ‘ছুরি’ দেখিয়ে ২ লাখ টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪

১৫

ইসলামপন্থিদের ভোট এক বাক্সে আনার পরিকল্পনা কার, যা বলছেন মুফতি ফয়জুল করীম

১৬

সব রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের দামে ইতিহাস, ভরি কত?

১৭

ঢাকায় পৌঁছালেন বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

১৮

ইউরোপ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেল ইরান

১৯

স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুষ্ঠানে হামলা, খাবার লুট

২০
X