সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০
মাইশা আসাদ
প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২২, ১১:০১ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

আইটিতে ক্যারিয়ার

আইটিতে ক্যারিয়ার গড়তে একাডেমিক পড়ার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নতুন কিছু শেখার প্রবল ইচ্ছা ও ধৈর্য। এ সেক্টরে যোগ্য হতে পারলে চাকরি খুঁজতে হবে না, চাকরিই আপনাকে খুঁজে নেবে। আইটিতে ক্যারিয়ার নিয়ে জানাচ্ছেন মাইশা আসাদ

শুধু আইটিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানেই নয়, এখন বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই থাকছে আইটি বিভাগ। সেখানে আইটি এক্সপার্টদের চাকরির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। প্রতিটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা এখন আইটিনির্ভর। আইটি সেক্টরে কাজের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—নেটওয়ার্কিং, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডেটা বেইস ম্যানেজমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপার, অ্যানিমেশন, মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি।

কাজের সুযোগ

আইটি প্রতিষ্ঠান টেক সোর্সের প্রধান নির্বাহী (সিইও) মুহিব আহমেদ জানান, কম্পিউটার সায়েন্স কিংবা আইটির ওপর ডিপ্লোমা বা প্রাতিষ্ঠানিক সনদ থাকলে চাকরি পাওয়া সহজ। মূলত কাজের দক্ষতার ওপর নির্ভর করবে কেমন প্রতিষ্ঠানে সুযোগ মিলবে। বাস্তব বা ব্যবহারিক কাজে দক্ষতা থাকলে সরকারি, বেসরকারি, ব্যাংক, করপোরেট হাউস, মিডিয়া হাউসসহ বিভিন্ন আইটি ফার্ম থেকে শুরু করে ঘরে বসে বিদেশের বড় বড় প্রতিষ্ঠানেও কাজের সুযোগ পেতে পারেন। প্রতিনিয়তই এ সেক্টরের কাজের পরিসর বড় হচ্ছে। এন্ট্রি লেভেলে বেতন ২৫ হাজার থেকে শুরু হয়ে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। অভিজ্ঞদের ক্ষেত্রে অঙ্কটা শুরু হয় ৭০ হাজার থেকে। পরে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সঙ্গে বেতনের ডিজিট দ্রুত ছাড়িয়ে যায় ছয় অঙ্ক।

যেমন যোগ্যতা প্রয়োজন

আইটি সেক্টরে একাডেমিক যোগ্যতার চেয়ে হাতে-কলমে শিক্ষার গুরুত্ব বেশি। ব্যবহারিক জ্ঞান ও হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা না থাকলে শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে এ সেক্টরে কাজ করা কঠিন হবে। বরং কাজ জানা থাকলে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা খুব জরুরি নয়। তবে ব্যাংক, মাল্টিন্যাশনাল বা নামি প্রতিষ্ঠানে কাজের ক্ষেত্রে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অবশ্যই স্নাতক হতে হবে। কম্পিউটার সায়েন্স কিংবা আইটি বিষয়ের শিক্ষার্থীরা এ ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে থাকেন। নতুনরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করে নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য করে তুলতে পারেন। আইটিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলে যারা নানাভাবে আইটিবিষয়ক কার্যক্রমে যুক্ত তাদেরও শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজের সুযোগ দেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

চাকরির প্রস্তুতি

বাংলাদেশের একাডেমিক সিলেবাস আইটি সেক্টরের সঙ্গে মিল রেখে নিয়মিত পরিবর্তন করা হয় না। তাই বিষয়ভিত্তিক কোর্স করতেই হবে। একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে আগ্রহের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের কোর্স করে নিন। কারণ শুধু বইয়ের পড়া দিয়ে সারাক্ষণ উন্নত হতে থাকা আইটি সেক্টরে তাল মেলানো সম্ভব নয়। বর্তমানে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক কোর্স খুবই সহজলভ্য। যে কারও খুব অল্প টাকার বিনিময়ে নিজের পছন্দের বিষয়ে অনলাইনেও কোর্স করার সুযোগ রয়েছে। আমাদের দেশে কাজ শেখার সবচেয়ে প্রচলিত উপায় শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করা। অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি সার্টিফিকেট ভারী করার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নামমাত্র পারিশ্রমিকে শিক্ষানবিশের কাজ করতে পারেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঘুষ-দুর্নীতির আখড়া জাজিরার বড়কান্দি ইউনিয়ন ভূমি অফিস

মীন রাশিতে কাজে সফল হওয়ার দিন আজ

২৭ ফেব্রুয়ারি : নামাজের সময়সূচি

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকায় যাবেন না

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

প্যারিসে ভাষা দিবস উপলক্ষে পঞ্চ কবির গানের সন্ধ্যা

বাবাকে কুপিয়ে জখম, ছেলে গ্রেপ্তার

আধিপত্য বিস্তারে দুই গ্রুপের ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৩

পথ হারানো ৩১ দর্শনার্থীকে উদ্ধার করল পুলিশ

শিক্ষা সফরে মদপান, দুই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

১০

মিয়ানমারে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিদ্রোহীরা!

১১

রাতের ঢাকায় নতুন মাদক

১২

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এর কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

১৩

রংপুরকে উড়িয়ে ফাইনালে লিটনের কুমিল্লা

১৪

যুগান্তরের অবদান চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে

১৫

ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার

১৬

যৌন হয়রানির অভিযোগে ভিকারুননিসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

১৭

করোনায় আক্রান্ত ডিবি প্রধান হারুন

১৮

‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ নামকরণের প্রস্তাব বাতিল

১৯

বর্ণাঢ্য আয়োজনে চবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের নবীনবরণ

২০
X