কালবেলা মিডিয়া লিমিটেডের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক নিউমার্কেট সিটি কমপ্লেক্স, ৪৪/১, রহিম স্কয়ার, নিউমার্কেট, ঢাকা থেকে প্রকাশিত এবং ২৮/বি, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা, শরীয়তপুর প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত।
মেয়র তাপসের বক্তব্য আপিল বিভাগের নজরে আনলেন ব্যারিস্টার আমীর
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের দেওয়া এক বক্তব্য প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের নজরে এনেছেন ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম।
আজ বুধবার বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বিভাগের ডায়াসে দাঁড়ান ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম।
এ সময় তিনি গত রোববার বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দেওয়া মেয়র তাপসের বক্তব্য নিয়ে করা পত্রিকার প্রতিবেদন পড়ে শোনান। আদালতে এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনসহ সিনিয়র আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় প্রকাশিত শেখ ফজলে নূর তাপসের বক্তব্য তুলে ধরে ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম আদালতে বলেন, ‘তিনি বলেছেন, মনটা চায় আবার ইস্তফা দিয়ে ফিরে আসি। যেখানে মুগুর দেওয়ার, সেটাও জানি। একজন চিফ জাস্টিসকেও নামিয়ে দিয়েছিলাম। মশিউজ্জামানকে (বারের গত নির্বাচনের সাব-কমিটির প্রধান) আমরা মনে করতাম, ওরে বাবা, কী জানি ফেরেশতা আসছে! সবচেয়ে বড় চোর হলো মশিউজ্জামান! যেসব সুশীল আমাদের বুদ্ধি দিতে যাবেন, সেসব সুশীলকে আমরা বস্তায় ভরে বুড়িগঙ্গা নদীর কালো পানিতে ছেড়ে দেব…।’
একপর্যায়ে প্রধান বিচারপতি ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলামকে বলেন, ‘ঠিক আছে। আমরা পত্রিকার প্রতিবেদনটা পড়ি, দেখি।’
এ সময় আদালত কক্ষে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের মধ্যে সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সাবেক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, মাহবুবউদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদল, রুহুল কুদ্দুস কাজল ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, শাহ আহমেদ বাদল, সৈয়দ মামুন মাহবুব, আবেদ রাজা, মোহাম্মদ আলী, মো. আক্তারুজ্জামানসহ শতাধিক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
একপর্যায়ে আদালত থেকে বের হয়ে ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন।
তিনি বলেন, আমরা মানবজমিনের লিড নিউজটি আপিল বিভাগের নজরে এনেছি। বলেছি, তার বক্তব্য ঔদ্ধত্যপূর্ণ। বিচার বিভাগ, সিনিয়র আইনজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে অশালীন বক্তব্য দিয়েছেন। আদালত অবমাননাকর বক্তব্য দিয়েছেন। আপিল বিভাগের নজরে এনেছি। আদালত পত্রিকা দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন বলেছেন। আশা করি, প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ বিষয়টি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সর্বশেষ
জনপ্রিয়
কনসালট্যান্ট পদে চাকরি দেবে এসএমসি, নেই বয়সসীমা
১
বিশ্বকাপ বয়কট করলেই নিষিদ্ধ হবে পাকিস্তান, আইসিসির হুমকি
২
সমালোচনা আর দোষারোপে মানুষের পেট ভরবে না : তারেক রহমান
৩
‘আলফা এ আই’- এর ঘরে প্রিয়তমা খ্যাত হিমেল আশরাফ
৪
ঢাকায় চাকরির সুযোগ দিচ্ছে মিডল্যান্ড ব্যাংক
৫
প্যারোল কী? বন্দিরা কখন ও কীভাবে প্যারোল পান
৬
গণঅধিকার পরিষদের ১৬ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান
৭
সাহরি-ইফতারের সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ব্যাখ্যা
৮
গণপিটুনিতে রুপলাল-প্রদীপ হত্যাকাণ্ড, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
৯
৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষা করেছে চব্বিশের ছাত্র আন্দোলন : তারেক রহমান
১০
‘সবাই এখন নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, কেউ আমাদের খোঁজ নিচ্ছে না’
১১
প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়ছে যত
১২
প্রতিহিংসা নয়, ঐক্যের রাজনীতি চাই : হাবিব
১৩
সালাম দিয়ে তারেক রহমান জানতে চাইলেন, ‘অনরা ক্যান আছেন?’