কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কাকে রেখে কার বিচার করব : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

কাকে রেখে কার বিচার করব : সংসদে প্রধানমন্ত্রী
‘৭৫-এর পর ইতিহাস বিকৃতিতে কেউ পিছিয়ে ছিলেন না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কাকে রেখে কার বিচার করব? যারা ইতিহাস বিকৃতি করেছে ইতিহাসই তাদের বিচার করে দিয়েছে। তাদের চরিত্রটা মানুষের কাছে প্রকাশ পেয়েছে। আজ বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘৭৫-এর পর স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি শুরু হয়। জাতির পিতাকে হত্যাকারী ও ক্ষমতা দখলকারীরা এই বিকৃতি শুরু করে। ধারাবাহিকভাবে তা ২১ বছর চলতে থাকে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষকে সেই বিকৃত ইতিহাস থেকে মুক্তি দেয়। আজকে বাংলাদেশে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কেবল উদ্ভাসিত নয়, দেশের মানুষ ও নতুন প্রজন্ম এই ইতিহাস জানার সুযোগ পাচ্ছে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস এখন বিকৃত করার সুযোগ নেই। কেউ তা করতেও পারবে না। এটা সম্ভবও নয়।’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘ইতিহাস যারা বিকৃতি করেছে, আমি যদি ঠিক ৯৬ এর আগে যাই, তাহলে কাকে রেখে কার বিচার করব? এটা হলো বাস্তবতা। আমি দেখি ’৭৫-এর পর যারাই ছিলেন, এমনকি যারা সত্য কথাটাও জানতেন তারাও মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছিলেন। এটা হচ্ছে দুর্ভাগ্য। রেডিও, টেলিভিশন, পত্রিকা—পুরোনো দিকটায় তাকালে কেউই বাদ যায়নি। খুব স্বল্পসংখ্যক মানুষ এর প্রতিবাদ করেছেন বা সঠিক ইতিহাসের ধারাবাহিকতাটা বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। এদের বিচার করতে গেলে তো কাকে রেখে কার বিচার করব সেটা একটা প্রশ্ন। আমি পরিষ্কার কথা বলি।’ তিনি বলেন, ‘আমার যেটা কাজ সেটা হলো মানুষের কাছে সত্য ইতিহাসকে তুলে ধরা। ইতিহাস আজকে মানুষের সামনে প্রকাশ পেয়েছে। মানুষ তার চর্চা করছে। আজকের যুবসমাজ ইতিহাস জানতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী, এটাই বড় বিচার। যারা সত্যটা মিথ্যা দিয়ে ঢাকতে চেয়েছিল তারাই আজকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে। সত্য অনেক কঠিন। তবে এর জয় অবশ্যম্ভাবী। বিচার প্রাকৃতিকভাবেই তাদের হচ্ছে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রথমবার এলএনজি রপ্তানির চুক্তি করল ভেনেজুয়েলা

ইরানে নতুন নেতৃত্ব দরকার : ট্রাম্প

১৮ জানুয়ারি : কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

যৌথবাহিনীর অভিযানে জামায়াতের সাবেক নেতাসহ আটক ২

সফল হতে নাশতার আগেই যেসব কাজ করবেন

ইবনে সিনায় চাকরির সুযোগ

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

টানা ৩ দিন ৭ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

১০

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

১১

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

১২

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

১৩

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

১৪

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

১৫

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

১৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

১৭

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

১৮

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১৯

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

২০
X